দিনোকৃষ্ণ ঠাকুরের বিখ্যাত উক্তি (প্রথম পাতা)

আমাদের ফেসবুক পেজের লিংক: Dinokrishno Thakur – Unofficial

1.

যে ভগবান ব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টিকর্তা, পৃথিবীতে যতগুলো ভাষা আছে সেগুলোও তার সৃষ্টি। এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ থাকে কি? না।
তাহলে আমার ভগবানকে ভাড়া করা এজেন্টদের মাধ্যমে সংস্কৃতিই কেন বোঝাতে হবে? এটা কি ভন্ডামো নয়?

2.

অন্যের কলসির চাল না হলে যাদের সংসার চলে না তারা ব্রাহ্মণ দেবতা, আর আপনি খেটে খুটে উপার্জন করে সেটাও দান করে দিচ্ছেন তারপরেও আপনি দাস।
বুঝুন ওদের চালাকি! কিভাবে হাজার হাজার বছর ধরে আপনাদের দাস বানিয়ে রেখেছে।

3.

মৃত ব্যক্তিকে স্বর্গে পাঠানোর নামে শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ ভাওতা, চাল ডাল খুচরো পয়সা এবং নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি লুটপাটের ধান্দা ছাড়া আর কিছুই নয়। সব বৈদিকবাদীদের ষড়যন্ত্র।

4.

আমাদের শিক্ষার মধ্যে ডিম ঢুকে পড়েছে, (‘মিড ডে মিল’ এর ডিম)। কোন বাবা-মা শিক্ষার জন্য মারামারি করে না, কিন্তু ছোট ডিম বড় ডিম নিয়ে মারপিট করছি আমরা। ‘মিড ডে মিল’ এর ডাল পাতলা হচ্ছে নাকি ঘন হচ্ছে এই নিয়ে পাড়ায় মিটিং বসছে, কিন্তু আমার ছেলেটা আমার মেয়েটা সঠিক শিক্ষা পাচ্ছে কিনা সে বিষয়ে আমরা কখনো নিজেদের মধ্যে আলোচনা করি কি?
এটাই আমাদের সর্বনাশের প্রধান কারণ। সময় থাকতে জাগুন, ঘুমিয়ে থাকবেন না আর।

5.

মরার পরে স্বর্গে যান, যেতে বারণ করছি না।
আমি আপনাদের ভক্তি করতে বারণ করছি না, ভক্তি করুন। গলায় একটার জায়গায় দশটা মালা পরুন, শুধু কপালে কেন সারা শরীরে টিকা লাগান। কিন্তু হাতে কলমটাও ধরুন, আপনার ছেলে মেয়েদের স্কুলে আগে পাঠান। বাচ্চাদের জাগতিক বাস্তব শিক্ষাটা আগে দিন।

6.

ব্রহ্মচারীদের নাকি নারী মুখ দেখতে নাই।
আমি বলি, “নারী মুখ দেখার পরে যারা ব্রহ্মচর্য ধরে রাখতে পারে তারাই তো আসল ব্রহ্মচারী, নারী মুখ দেখেই যদি তোমার ব্রহ্মচর্য ফোঁটা ফোঁটা গড়িয়ে পড়ে তবে তো তুমি বড় ভন্ড ভাই।”

7.

পারমাণবিক বোমা বিধ্বস্ত হওয়া জাপান যদি আমাদের মত মালা-ঝোলা নিয়ে ঘুরতো তাহলে কি তারা বিশ্বে আজ টেকনোলজিতে সর্বশ্রেষ্ঠ হতে পারতো?
মালা-ঝোলার থেকে খাতা-কলমটা অনেক বেশি জরুরী দেশের জন্য দুনিয়ার জন্য। সময় থাকতে বুঝুন..

8.

বিজ্ঞান ছাড়া একটা দিন চলতে পারবেন না তবুও কেউ কেউ বলে। “বিজ্ঞান যেখানে পৌঁছতে পারে না ধর্ম সেখানে পৌঁছে যায়।” ভালো কথা। কিন্তু বাবা বলতো- দেরি হলেও সেই জায়গাতে বিজ্ঞান পৌঁছে গেলে ধর্ম গলিপথ ধরে লুকিয়ে পালায় কেন?

9.

ওদের নিজেদের মত ভগবানের নাম করে আমাদের উপর চাপানো হচ্ছে।
“যা হয়েছে তা ভালই হয়েছে , যা হচ্ছে তা ভালই হচ্ছে, যা হবে তাও ভালই হবে।”
আচ্ছা স্বয়ং ভগবানের বিচার কি এতটা নিম্নমানের হতে পারে?
বলুনতো এই নীতি যদি ঠিক হয় তবে বাংলাদেশে যে হিন্দুদের উপর এত অত্যাচার হচ্ছে আপনি কি বলবেন যা হচ্ছে তা ভালই হচ্ছে, যা হবে তা ভালই হবে !!

10

যেদিন থেকে সরকার শিক্ষার মধ্যে চাল ডাল ডিম খিচুড়ি ঢুকিয়ে দিল, সেইদিনই প্রকৃতপক্ষে শিক্ষা ব্যবস্থার অধঃপতন শুরু হল। সাধারণ মানুষ (অভিভাবক) শিক্ষার দিকে নয় ডিমের দিকে নজর দিল। কার ছেলে বড় ডিম পেল কার ছেলে ছোট ডিম পেল এই শুরু হল নিয়ে দ্বন্দ্ব।

11

শুধুমাত্র বিশেষ কিছু মানুষের ধর্মগ্রন্থ পড়ার অধিকার ছিল, সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মগ্রন্থ পড়ার অধিকার ছিল না, শোনার পর্যন্ত অধিকার ছিল না। যে ধর্মগ্রন্থ পড়ার অধিকার নেই সোনার অধিকার নেই ভুল করে শুনে ফেললে শিশা গরম করে কানে ঢেলে দেওয়ার বিধান দেওয়া হতো। সেই ধর্মগ্রন্থ তোমার কি করে হয় ভাই?

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started